স্যামির আশা, এবার বাংলাদেশের বিপক্ষেও লাল বলের ক্রিকেটে একই মানসিকতা দেখাবে তাঁর দল।
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগের দুই চক্রই পয়েন্ট তালিকার অষ্টম স্থানে থেকে শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চলতি চক্রেও ১২ ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়ে আট নম্বরে আছে ক্যারিবীয়রা। অন্যদিকে ছয় ম্যাচে তিনটি জয় পাওয়া বাংলাদেশ এখনো ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টিকে আছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন স্যামি। তার ভাষ্য, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিতে পারলে খেলোয়াড়দের জন্য বাড়তি আর্থিক প্রণোদনা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
স্যামি বলেন, খেলোয়াড়দের তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন—মাঠে ভালো খেলতে হবে, যাতে স্পনসরদের সঙ্গে আরও ভালোভাবে দর-কষাকষি করা যায় এবং নতুন স্পনসর আকৃষ্ট করা সম্ভব হয়। তার মতে, ভারতের বিপক্ষে সাদা বলের দল এই কাজ ভালোভাবেই করেছে। এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট দলও সেই পথ অনুসরণ করতে পারে।
বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে ভালো প্রস্তুতিও নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরের আগে ভারতের চেন্নাইয়ে প্রস্তুতি ক্যাম্প করেছে দলটি। বাংলাদেশে এসে খেলেছে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচও।
স্যামি জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে তাদের শক্তি-দুর্বলতা বিশ্লেষণ করেই জয়ের পরিকল্পনা সাজাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টকে তিনি দলের জন্য লক্ষ্য পূরণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
ক্যারিবীয় কোচের বিশ্বাস, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে বাংলাদেশ সফর থেকেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অবস্থান উন্নত করার পথে এগিয়ে যেতে পারবে তার দল।
এখন দেখার বিষয়, বেতন কমার হতাশাকে প্রেরণায় বদলে স্যামির দল মাঠে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশের জন্যও সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ—নিজেদের পয়েন্ট বাড়ানোর পাশাপাশি ঘরের মাঠে শক্তির প্রমাণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে স্বাগতিকদের সামনে।
