অন্যদিকে ইউক্রেন এ বছর আগাম ও ভালো শস্য উৎপাদন করেছে। কিন্তু কৃষ্ণসাগরের বন্দর দিয়ে বেশি শস্য রপ্তানি করতে পারছে না। ইউক্রেনের খাদ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, সমুদ্র, রেল, নদী ও সড়কপথ মিলিয়ে দেশটি যতটা শস্য রপ্তানি করতে পারত, তার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ করতে পেরেছে।
সম্প্রতি বিশ্ববাজারে গমের দাম বেড়েছে। তবে ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় দাম এখনো কম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সমুদ্রপথে শস্য রপ্তানির সাম্প্রতিক বিঘ্নের কারণে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে অন্যান্য খাদ্য সরবরাহ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এর সঙ্গে ইরান যুদ্ধ, ইউরোপে প্রচণ্ড গরমে শস্য উৎপাদন কমে যাওয়া এবং এল নিনো পরিস্থিতির প্রভাবও যুক্ত হয়েছে।
অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্বে খাদ্যের দাম প্রায় ১২ শতাংশ বাড়তে পারে। ২০২৭ সালে আরও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
তাতিয়ানা অরলোভা মনে করেন ২০২২ সালের মতো পরিস্থিতি এবার নাও হতে পারে। সে সময় অনেক বড় খাদ্য আমদানিকারক দেশ প্রস্তুত ছিল না। এবার অনেক দেশই শস্য মজুত করে রেখেছে। ফলে এ ধরনের ধাক্কা সামাল দেওয়ার প্রস্তুতি তুলনামূলকভাবে ভালো। অরলোভা বলেন, তবে এটা বেশ পরিষ্কার, খাদ্যের দামে প্রভাব পড়বে।
